28.2 C
Dhaka
Saturday, June 13, 2026

The Dolly Feature: A Modern Slot Game Mechanic Explained

The Dolly Feature: A Modern Slot Game...

Winnita Casino

Winnita Casino Benvenuto su Winnita, il luogo ideale...

তুমি যাচ্ছ হেলিকপ্টারে, মা, চ’ড়ে…

অন্যান্যজীবনধারাতুমি যাচ্ছ হেলিকপ্টারে, মা, চ’ড়ে...

সাইফুল ইসলাম সানি: মনে করো, যেন বিদেশ ঘুরে/ মাকে নিয়ে যাচ্ছি অনেক দূরে।/ তুমি যাচ্ছ পালকিতে, মা, চ’ড়ে/… রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “বীরপুরুষ” কবিতার এই কল্পকাহিনী বাস্তবে রূপ দিয়েছেন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বড়চওনা গ্রামের প্রবাসী আয়নাল হক। কবিতার সেই ছোট্ট খোকা চরিত্রের আয়নাল তাঁর বৃদ্ধ মাকে বিদেশ ঘুরিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছেন। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাকে সঙ্গে নিয়ে হেলিকপ্টারে করে উপজেলার বড়চওনা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করেন তিনি। এ সময় গ্রামের কয়েক’শ বাসিন্দা গ্রামের সুপুত্র আয়নাল হক ও তাঁর মাকে স্বাগত জানিয়েছে।

এ সময় প্রবাসী আয়নাল হকের মা কমলা খাতুন বলেন, “আমার আয়নাল ছোটবেলায় হেলিকপ্টারের বিকট শব্দ শুনে ভয়ে দৌড়ে আমার আঁচলের নিচে আশ্রয় নিতো। আজ সেই আয়নাল ভয়কে জয় করে ওই হেলিকপ্টারে উড়িয়ে আমাকে বাড়িতে নিয়ে আসলো। আমার যে কি খুশি লাগতেছে! আর গর্ব হচ্ছে, তা মুখে বলে বোঝাতে পারবো না। আল্লাহ যেনো তাকে আরও অনেক বড় বানায়।”

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রবাসী আয়নাল হকের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বড়চওনা গ্রামের আয়নাল হক প্রায় ২২ বছর ধরে সৌদি আরবে থাকেন। তিনি গত চার বছর আগে যখন ছুটিতে দেশে এসেছিলেন, তখন মা কমলা খাতুন ছেলের কাছে জানতে চান হেলিকপ্টারে উড়তে কেমন লাগে বাবা? ওইদিনই আয়নাল হক তাঁর মাকে হেলিকপ্টারে চড়ানোর সংকল্প করে পুনরায় সৌদি আরব চলে যান।
সম্প্রতি আয়নাল হক ওমরা হজ্ব পালনের উদ্দেশ্যে তাঁর মা, স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েকে সৌদি আরবে নেন। ওমরা পালন শেষে আজ শনিবার সকালে আয়নাল হক তাঁর পরিবারসহ ঢাকা বিমানবন্দরে আসেন। পরে মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে তিনি ঢাকা থেকে হেলিকপ্টার করে সখীপুরে আসেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রবাসী আয়নাল হক বলেন, মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে কি যে ভালো লাগছে, আর নিজেকে হালকা লাগছে তা বলে বোঝাতে পারবো না! আমি আজ পৃথিবীর সবচাইতে সুখী মানুষ বলে মনে হচ্ছে।
আয়নাল হকের ভাতিজা মেহেদী হাসান জানান, আজ সকালেই আমার দাদীসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা সৌদি আরব থেকে ঢাকা বিমানবন্দরে আসেন। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসি। আমার দাদীর স্বপ্ন পূরণ হয়েছে এবং গ্রামের মানুষ হেলিকপ্টার দেখে খুব আনন্দ পেয়েছে।

এদিকে বেলা ১০টার দিকে হেলিকপ্টার দেখতে বড়চওনা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। তাঁরা জানান, মায়ের স্বপ্ন পূরণে প্রবাসী ছেলের এমন উদ্যোগ তাঁদের গ্রামের সম্মান বৃদ্ধি করেছে।

এসবি/সানি 

Check out our other content

Check out other tags:

Most Popular Articles