28.7 C
Dhaka
Tuesday, June 23, 2026

The Evolution of Casino Loyalty Programs

Casino loyalty programs have transformed considerably over...

The Impact of Artificial Intelligence on Casino Operations

1хбет instant payout casinos apex casino официальный сайт apex casino ап...

Scopri i vantaggi della app mobile per il tuo casinò preferito

I casinò online hanno rivoluzionato il modo...

ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল থাকুক ঈদুল আযহা

সখীপুরত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল থাকুক ঈদুল আযহা

ত্যাগ, শান্তি আর আনন্দের অনাবিল সওগাত নিয়ে মুসলিম উম্মাহর কাছে আবার সমুপস্থিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আযহা। আগামী মঙ্গলবার পবিত্র ঈদুল আযহা। এ দিন বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উৎসবের এ ঈদ উদযাপিত হবে। সর্বোচ্চ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, যথাযোগ্য মর্যাদা, বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ত্যাগের মহিমায় মুসলমানগণ আনন্দ উৎসব পালন করবে। ঈদের দিন দেশের সকল মুসলমান বিন¤্র হৃদয়ে ঈদুল আযহার নামায আদায় করবেন এবং নামায শেষে মহান রবের উদ্দেশ্যে পশু কুরবানী দিবেন। ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর এই ঈদুল আযহা হচ্ছে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব প্রতি বছর হিজরি, ক্যালেন্ডার অনুযায়ী জিলহজ মাসের ১০ তারিখ পবিত্র ঈদুল আযহা হাজির হয় পশুত্ব প্রবৃত্তির কুরবানি করে মনুষ্যত্বকে জাগ্রত করার সুমহান পসরা নিয়ে। ত্যাগের আনন্দে উদ্ভাসিত পবিত্র ঈদুল আযহা মানুষকে মানবিক চেতনায় পুষ্ট হয়ে জগতের সকল সৃষ্টির কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার শিক্ষা দেয়। উৎসাহ জোগায় একটি সাম্যপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সামিল হতে। সংগত কারণে সমগ্র মুসলিমজাহান তো বটেই সমগ্র বিশ্বমানবের কাছে পবিত্র ঈদুল আজহার সীমাহীন গুরুত্ব¡ ও তাৎপর্য রয়েছে।
ঈদুল আজহা মানে ত্যাগের ঈদ। এই ঈদ মহান কুরবানির শিক্ষা দেয়। কুরবানি হচ্ছে মূলত ত্যাগ। ত্যাগের মধ্যেই এর সার্থকতা ও তাৎপর্য নিহিত। পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের এ শিক্ষাই দেয়। তবে ঈদ কেবল ত্যাগের নয়, উৎসব-আনন্দেরও। এ আনন্দের ধারা আমরা লক্ষ্য করি সর্বত্র। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের মধ্যে বাঁধভাঙা জোয়ার দেখা দেয়, যা নির্মল আনন্দেরই  প্রকাশ। কুরবানিকে আরবি ভাষায় ‘উযহিয়্যা’ বলা হয়। উয্যাহিয়্যা শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো ওই পশু, যা কুরবানির দিন জবেহ করা হয়। ইসলামি শরীয়াতের পরিভাষায় মহান আল্লাহ্র সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্য নির্দিষ্ট সময়ে পশু জবেহ করাকে কুরবানি বলা হয়। এটি একটি আর্থিক ইবাদাত। যার কারণে সবার উপরই কুরবানি করার বাধ্যবাধকতা নেই। তাই যাদের ওপর কুরবানি আদায় করা আবশ্যক তাদের উচিত নির্দিষ্ট নিয়মে ও নির্দিষ্ট সময়ে পশু কুরবানি দেয়া। তবে কুরবানির মূল উদ্দেশ্য যেহেতু নিজেদের পশুত্বপ্রবৃত্তির কুরবানি করে মনুষ্যত্বকে জাগ্রত করা সেহেতু এই উদ্দেশ্যকে পাশ কাটিয়ে নিজেদের গৌরব-মর্যাদার প্রতীক হিসেবে কুরবানিকে বিবেচনা করা উচিত নয়। বর্তমান সময়ে অনেকেই কুরবানির মাধ্যমে নিজের আর্থিক সামর্থ্য জাহির করার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়।  প্রকৃতপক্ষে এ প্রতিযোগিতাপ্রবণ কুরবানির কোনো মূল্য নেই আল্লাহ্র কাছে। মহান আল্লাহ্ কেবল ওই কুরবানিকেই কবুল করে থাকেন, যেটা কেবলই তাঁরই প্রেম-ভালবাসায় হয়ে থাকে।

Check out our other content

Check out other tags:

Most Popular Articles