27.4 C
Dhaka
Monday, June 8, 2026

Einfluss von Glücksspiel auf die psychische Gesundheit Risiken und Chancen

Einfluss von Glücksspiel auf die psychische Gesundheit...

Technology and Its Impact on Casinos A New Era of Gaming

Technology and Its Impact on Casinos A...

Jakie regulacje prawne dotyczą hazardu w Polsce

Jakie regulacje prawne dotyczą hazardu w Polsce Podstawy...

ভর্তুকি দিয়ে হলেও চাল রফতানি করা হবে : অর্থমন্ত্রী

অন্যান্যকৃষিভর্তুকি দিয়ে হলেও চাল রফতানি করা হবে : অর্থমন্ত্রী

বার্তা ডেস্কঃ অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, চালের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে দেশে চাল আমদানি সীমিতকরণ করা হবে। শুধু তাই নয়, কৃষক বাঁচাতে ভর্তুকি দিয়ে হলেও চাল রফতানির উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘চালের দাম বাড়াতে আমরা সরকারের পক্ষ থেকে যেটা করতে পারি, সেটা হলো চাল আমদানি নিরুৎসাহিত করে সীমিতকরণ করতে পারি। সরকারিভাবে আমরা এই কাজটি করব। চাল আমদানি পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে পারি না।পাশাপাশি চাল রফাতানির দিকেও আমাদের জোর দিতে হবে। প্রয়োজনে ভর্তুকি দিয়ে হলেও চাল রফতানির পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

আজ রোববার রাজধানীর শেরেবাংলানগরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট ঘোষণার আগে কৃষি ও কৃষকের বাজেট নামে একটি বাজেট প্রস্তাবনা অর্থমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ। এক্ষেত্রে সরকারের বরাদ্দ ও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব হিসেবে বেশ কিছু সুপারিশ তুলে ধরেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি বছর ধান উৎপাদন বেশি হয়েছে। কিন্তু এখন চালের দাম আন্তর্জাতিক বাজারেও কম। যার কারনে ধানের দাম নিয়ে কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। সবজি উৎপাদনও আমাদের অনেক হচ্ছিল। কৃষকরা দাম পাচ্ছিল না এবং এগুলো পচে যাচ্ছিল। আমরা রফতানির ব্যবস্থা করলাম। রফতানি খরচ দিতে পারে না বলে আমরা সেখানে ভর্তুকি দিচ্ছি। ভর্তুকি দিয়ে আমরা সেই কাজটি করছি। এ কারণে সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন চার নম্বরে।রফতানি করার কারণে এর বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়েছে।সবজিতে দামটা পাচ্ছে কৃষকরা। একইভাবে চালও ভর্তুকি দিয়ে রফতানি করা যেতে পারে।

তিনি আরো বলেন, একটা সময় ছিল যখন সারা বিশ্বে খাদ্যের জন্য হাহাকার ছিল। কিন্তু বর্তমানে সারা বিশ্বেই খাদ্যের উৎপাদন অনেকগুন বেড়ে গিয়েছে। এ বছর আমরা অনেক বেশি খাদ্যশস্য উৎপাদন করতে পেরেছি। আমাদের যেমন বেশি উৎপাদন হয়েছে,আশপাশের দেশেও খাদ্যশস্যের উৎপাদন অনেক বেড়েছে।

মুস্তফা কামাল বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে যা যা করা দরকার,সেগুলোর প্রতিফলন আপনারা দেখতে পাবেন। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে অবশ্যই সুবিবেচনা করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কৃষি যন্ত্রপাতির বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার নামমাত্রে মূল্যে কৃষকদের কৃষি যন্ত্রপাতি দেয়, তারপর সেগুলো কৃষকরা নিতেও চায় না, জোর করে দেয়া লাগে।সবাইকে অবহিত করতে হবে, যদি কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেন, তাহলে উৎপাদন বাড়বে। ব্যয়ও কমে যাবে। এই ব্যয় কমানোর জন্যও আমাদের ব্যবস্থা নিতে হবে।

কৃষি উৎপাদন বাড়াতে আগামীতে কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার নিশ্চিতকরণের ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

নিউজ সূত্র: দৈনিক বাংলাদেশের খবর

Check out our other content

Check out other tags:

Most Popular Articles