31.8 C
Dhaka
Saturday, June 20, 2026

Casinova Casino Mobile App: Your Ultimate FAQ Guide

Embarking on a casino adventure from the...

Class 777 Casino Mobile App: Your Gateway to Gaming

The digital landscape of online casinos is...

Cleopatra Casino Mobile App: Key Factors for Players

Embarking on a mobile casino journey offers...

মাগফিরাতের শেষ দিনে ইতিকাফ ভাবনা

সখীপুরমাগফিরাতের শেষ দিনে ইতিকাফ ভাবনা

সৈয়দ ফয়জুল আল আমীনঃ আজ মাগফিরাতের শেষ দিন। সন্ধ্যায় ইফতার ওয়াক্ত থেকেই শুরু হবে নাজাতের দশক। এ দশকের বিশেষ একটি আমল হলো ইতিকাফ। আমাদের প্রিয় নবী মোহাম্মদ (সা.) ইতিকাফ করেছেন, সাহাবায়ে কেরামও করেছেন, তাই আমাদের জন্যও ইতিকাফ করা সুন্নত। হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, ‘ইন্তেকাল পর্যন্ত রসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করেছেন, এরপর তাঁর স্ত্রীগণ ইতিকাফ করেছেন।’ (বুখারি : ১৮৬৮; মুসলিম : ২০০৬)।

আরবি ‘ইতিকাফ’ শব্দের অর্থ অবস্থান করা, বসা, বিশ্রাম করা, সাধনা করা, ধ্যান করা ইত্যাদি। রমজানের ২১তম রাত হতে ২৯তম রাত পর্যন্ত সাংসারিক যাবতীয় ঝামেলা হতে মুক্ত হয়ে মসজিদে ইবাদতের উদ্দেশ্যে অবস্থান করাকে ইতিকাফ বলে। মহল্লার কোনো একজন ব্যক্তি ইতিকাফ পালন করলে সবার পক্ষ হতে আদায় হয়ে যায়। কেউ যদি ইতিকাফ না করেন তবে সবাই সুন্নাত ত্যাগের জন্য দায়ী থাকবে।

মহানবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি রমজান মাসের শেষ ১০ দিন ইতিকাফ করবে, সে ব্যক্তি দুটি হজ ও দুটি ওমরাহর সমান সওয়াব হাসিল করবে।’ (বায়হাকি)। মহানবী (সা.) আরো বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইবাদতের নিয়তে সওয়াবের আশায় ইতিকাফ করবেন তার যাবতীয় গুনাহ মাফ হয়ে যায়।’ (দায়লামি)।

ইতিকাফের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো, ‘লাইলাতুল কদর’ অনুসন্ধান করা। যে ব্যক্তি পবিত্র মাহে রমজানের শেষ ১০ দিন ইতিকাফ করবেন, তিনি নিশ্চয়ই ‘লাইলাতুল কদরের’ ফজিলত লাভ করবেন। ইতিকাফ ৩ প্রকার। যথা— ১. ওয়াজিব ইতিকাফ, ২. সুন্নাতে মুয়াক্কাদা, ৩. নফল ইতিকাফ।

ইতিকাফের শর্ত ৩টি। যথা— ১. যে কোনো মসজিদে নিয়মিত জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করা হয়, এরূপ কোনো মসজিদে পুরুষদের অবস্থান করতে হবে। মহিলারা আপন ঘরে পর্দার সঙ্গে ইতিকাফ করবে। ২. ইতিকাফের নিয়তে ইতিকাফ করতে হবে। কারণ বিনা নিয়তে ইতিকাফ হয় না। (‘নাওয়াইতু আন সুন্নাতুল ইতিকাফ-মাদুমতু হাজাল মাসজিদ।’ এই নিয়ত করে মসজিদে প্রবেশ করে এক কোণে বিছানা বিছাতে হবে। যাতে নামাজি মুসল্লিদের যাতায়াত বা নামাজে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে।) ৩. ইতিকাফকারীকে সর্বদা পাক-পবিত্র থাকতে হবে।

ইতিকাফ অবস্থায় করণীয় হচ্ছে— ১. বেশি বেশি আল্লাহর জিকির-আজকার করা, ২. নফল নামাজ আদায় করা, ৩. কোরআন তেলাওয়াত করা, ৪. দ্বীনি ওয়াজ-নসিহত শোনা ও ৫. ধর্মীয় গ্রন্থাবলি পাঠ করা। আর ইতিকাফ অবস্থায় যেসব কাজ বর্জনীয়— ১. ইতিকাফ অবস্থায় বিনা ওজরে মসজিদের বাইরে যাওয়া, ২. দুনিয়াবি আলোচনায় মগ্ন হওয়া, ৩. কোনো জিনিস বেচাকেনা করা, ৪. ব্যবসা-বাণিজ্যের হিসাব-নিকাশ করা, ৫. ওজরবশত বাইরে গিয়ে প্রয়োজনাতিরিক্ত বিলম্ব করা ও ৬. স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করা। এসব কাজ করলে ইতিকাফ ভঙ্গ হয়ে যায়।

(বাংলাদেশের খবর থেকে নেয়া)

Check out our other content

Check out other tags:

Most Popular Articles