31.3 C
Dhaka
Tuesday, June 23, 2026

Top Strategies for Winning at Ipay9 Casino Australia

In the vibrant world of online gaming,...

Expert Guide to Ipay9 Casino Bonus for Maximum Benefits

In the realm of online gambling, bonuses...

Top Strategies for Winning at Rich Casino Australia

Rich Casino Australia has become a popular...

সখীপুরে সরকারি দপ্তরে প্রধান পাঁচ নারী

সখীপুরসখীপুরে সরকারি দপ্তরে প্রধান পাঁচ নারী

Sakhipur_Pic-8.3.17(5nari)

  • মামুন হায়দার: বিশ্বে যা-কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর। সমাজ সংসারে নারীর অবদানকে তুলে ধরার জন্য বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই বাণী যেন অলঙ্কৃত হয়ে উঠেছে টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ পদে ৫ নারীর পদায়নে। সরকারি চাকরিতে সাফল্যের প্রতিযোগিতায় পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও এগিয়ে যাচ্ছে। সখীপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পাঁচ নারী সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব করছেন। নারীর ক্ষমতায়ন নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। যা সারা দেশের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে বিভিন্ন সময় এনজিও সংগঠন বা সুধীজনদের নানা ভাবনা এখন বাস্তবে রূপ নিয়েছে। এ উপজেলায় বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারি কমিশনার (ভূমি), সমবায় কর্মকর্তা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও একটি বাড়ি একটি খামারের সমন্বয়কারি সরকারি দফতরের প্রধান হিসেবে এখন  দ্বায়িত্ব পালন করছেন এই ৫ নারী কর্মকর্তা। একই সঙ্গে ৫ জন নারী সরকারি প্রশাসনের ৫টি শীর্ষ স্থানে সফলতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এ ঘটনাটি সত্যিই বিরল বলে দাবি করেছেন সুধীজন ও প্রশাসন সংশ্লিষ্টরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় ৩২টি দফরের মধ্যে সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি দফতরের উপজেলা পর্যায়ে এই পাঁচ নারী তাদের যোগ্যতা প্রমাণ করে দায়িত্ব পালন করছেন।
    সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেন মৌসুমি সরকার রাখী। তিনি প্রশাসনের ২৮তম বিসিএস ক্যাডার। ২০১০ সালের ১ ডিসেম্বর সরকারি চাকরিতে প্রবেশ করেন সহকারি কমিশনার হিসেবে। তিনি পদোন্নতি পেয়ে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে সখীপুরে যোগদান করেন। এর আগে তিনি মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় সহকারি কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন। একইভাবে  ২০১৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সহকারি কমিশনার (ভূমি) হিসেবে সখীপুরে যোগদান করেন আরিফা সিদ্দিকা। তিনি প্রশাসনের ৩০তম বিসিএস ক্যাডার। ২০১২ সালের ৩ জুন সরকারি চাকরিতে প্রবেশ করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে। তিনি পদোন্নতি পেয়ে সহকারি কমিশনার (ভূমি) হিসেবে সখীপুর উপজেলায় দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা খোদেজা খানম ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফিরোজা আক্তার প্রায় তিন বছর ধরে এবং একটি বাড়ি একটি খামারের সমন্বয়কারি হাছিনা আক্তার প্রায় দুই মাস যাবৎ সরকারি দফতরের প্রধান হিসেবে এখন দ্বায়িত্ব পালন করছেন।
    এ ব্যাপারে সহকারি কমিশনার (ভূমি) আরিফা সিদ্দিকা বলেন, ‘এতদিন ধরে সচেতন মানুষের যে স্বপ্ন ছিল এখন তা বাস্তবায়িত হচ্ছে। নারী এবং পুরুষ বলে আলাদা কোনো ব্যাপার নেই। আমরা সবাই রাষ্ট্রের কর্মকর্তা হিসেবে যার যার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। সখীপুর উপজেলায় এক সঙ্গে ৫ টি শীর্ষ পদে নারীদের দায়িত্ব পালন নারীর ক্ষমতায়নের একটি ইতিহাস হয়ে থাকবে বলে আমি মনে করি। এতে অন্য নারীরাও অনুপ্রাণিত হবে বলে আমার বিশ্বাস।’
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মৌসুমি সরকার রাখী বলেন, ‘নারীদের প্রশাসনের শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন সর্বস্তরের নারীদের আত্মবিশ্বাসী ও আত্মমর্যাদাশীল করে তুলবে। পাশাপাশি নারীরা নিরাপত্তা বিষয়ে আরও আত্মপ্রত্যয়ী হবে।’
    টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক মো. মাহবুব হোসেন নারীর ক্ষমতায়নে বিষয়টিকে অত্যন্ত ইতিবাচক আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘সখীপুর উপজেলায় সরকারি দপ্তরে একই সঙ্গে ৫ নারী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের ঘটনাটি একটি যুগান্তকারী মাইল ফলক। নারীরা তাদের মেধা দিয়ে আজকে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছে। সখীপুর উপজেলার এই ঘটনা পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। নারীরা ইতোমধ্যে সকল ক্ষেত্রেই সফলতার স্বার রেখে চলেছেন। ভবিষ্যতেও নারীরা সমাজ ও দেশের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলেও যোগ করেন তিনি।’

Check out our other content

Check out other tags:

Most Popular Articles