28.3 C
Dhaka
Monday, June 22, 2026

Grande Vegas Casino Registrierung: Vor- und Nachteile im Überblick

Viele Spieler suchen nach einem zuverlässigen Online-Casino,...

Evolução histórica dos jogos de azar na sociedade brasileira

Evolução histórica dos jogos de azar na...

Tradition Casino Willkommensbonus: Ihr Weg zum Start erklärt

Der Einstieg in die Welt der Online-Casinos...

দিনাজপুরের ইউএনও ওয়াহিদাকে উন্নত চিকিৎসার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয়দিনাজপুরের ইউএনও ওয়াহিদাকে উন্নত চিকিৎসার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বার্তা ডেস্কঃ দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত দিনাজপুরে ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি জানান, হামলকারীরা ইউএনও’র পরিচিত নন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে দেখতে গিয়ে জনপ্রসাশন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এ কথা জানান। এদিকে, দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত ইউএনও ওয়াহিদা খানমের অবস্থা সংকটাপন্ন। তার মাথার খুলি ভেঙে ভেতরে ঢুকে যাওয়ায় এখনই অস্ত্রোপচার বা বিদেশে নেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসাইন্স হাসপাতালের চিকিৎসক প্রফেসর ডা. জাহিদ। এর আগে, ওয়াহিদা খানমকে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার মাথার বাম পাশে বড় ধরনের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বাম হাত ও পা কোনো রকম সাড়া দিচ্ছে না।
উল্লেখ্য, বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে সরকারি বাসভবনে ঢুকে ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবাকে পিটিয়ে আহত করে দুষ্কৃতকারীরা। গুরুতর অবস্থায় তাদের প্রথমে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে রংপুর কমিউনিটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসা দেয়া হয়। তার বাবা ওমর আলী রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ওয়াহিদা খানমের বাবার নাম ওমর আলী। নওগাঁ থেকে মাঝে মাঝে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন মুক্তিযোদ্ধা বাবা ওমর আলী। ওয়াহিদা খানমের স্বামী মেজবাহুল হোসেন রংপুরের পীরগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। তাদের তিন বছরের ছেলে সন্তান রয়েছে। হামলার সময় শিশুটি ঘুমন্ত ছিল। বর্তমানে সে ভালো আছে। দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাহমুদুল আলম জানান, আনুমানিক রাত ৩টার দিকে ঘরের ভেন্টিলেটর দিয়ে দুর্বৃত্তরা প্রবেশ করে। প্রথমে তার বাবাকে আহত করে পাশের ঘরে বাথরুমে আটকে রাখে। পরে ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলা চালায়। এলোপাতাড়ি তাকেও পিটিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। মূলত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমকে হত্যার উদ্দেশেই এ হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা জেলা প্রশাসকের। ঘটনার পর জেলা প্রশাসকসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

Check out our other content

Check out other tags:

Most Popular Articles