27.5 C
Dhaka
Sunday, June 21, 2026

Stake Casino NZ Expert Guide: Play Smarter

Embarking on your online casino journey in...

Wildz Casino Online Tips: Play Smarter & Win Big

Embarking on your online gaming journey should...

Casino Classic NZ: Your Ultimate Guide to Winning Big

Embarking on a journey into the thrilling...

বিষমুক্ত সবজি চাষে লাইলী বেগমের অভাব মোচন

অন্যান্যকৃষিবিষমুক্ত সবজি চাষে লাইলী বেগমের অভাব মোচন

নিজস্ব প্রতিবেদক: আবদুল গফুর-লাইলী দম্পতির অভাবের সংসার। স্বামী আবদুল গফুর দিনমজুর খাটেন। তবুও ছয় সদস্যের পরিবারের অভাব দূর হয়না। জীবনের তাগিদে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন ওই দম্পতি। অভাব দূর করতে দিনমজুর স্বামী আবদুল গফুরকে বিদেশ পাঠাতে চেয়েছিলেন লাইলী বেগম। প্রায় দুই বছর আগে ধার করে পাঁচ লাখ টাকা সংগ্রহ করে স্বামীকে বিদেশ পাঠাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দালালের খপ্পরে পড়ে স্বামীর বিদেশ যাওয়া ভেস্তে গেছে। ঋণের দায়ে যখন চারিদিকে অন্ধকার দেখছেন। ঠিক সেই সময়ে স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শে নিজেদের জমিতে সবজি আবাদ শুরু করেন লাইলী বেগম। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে এখন তিনি একজন সফল সবজি চাষি। সোমবার সরজমিনে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কীর্ত্তণখোলা গ্রামের গিয়ে তাঁদের বিষমুক্ত সবজি বাগানের সমাহার দেখা যায়।
সফল কৃষানি লাইলী বেগম জানান, শাক-সবজি আবাদ করে সংসারের স্বচ্ছতালতা ফিরে এসেছে। স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শে তিনি নিজেদের জমিতে সবজি আবাদ শুরু করেন। এতে স্বামী আবদুল গফুরও তাকে সহযোগিতা করেন। এ বছর মাত্র এক বিঘা জমিতে দেশীয় উন্নত জাতের শসা আবাদ করেছেন। মাত্র তিনমাসে ওই জমিতে রেকর্ড পরিমান শসা উৎপাদন হয়েছে। এ পর্যন্ত তিনি প্রায় এক লাখ টাকার শসা বিক্রি করেছেন। তাদের এই শসা সম্পূর্ণ বিষমুক্ত। অন্যান্য শস্যের চেয়ে বাজারে এর চাহিদাও বেশি রয়েছে।
ওই দম্পতি আরো বলেন, কৃষি অফিসের স্যারেরা মাঝে মধ্যেই এসে তাদের নানা পরামর্শ দেন। লাইলী বেগমের স্বামী আবদুল গফুর বলেন, এখন আর অন্যের জমিতে দিনমজুর খাটতে হয়না। স্থানীয় কৃষি অধিদপ্তর থেকে তারা বিভিন্ন সময় শাক-সবজি আবাদের প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। ওই প্রশিক্ষণ এখন তাদের চাষাবাদে বেশ উপকার দিচ্ছে।
স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ওবায়দুল হক খান বলেন, নিয়মিত তিনি কৃষাণি লাইলী বেগম ও তার স্বামীকে পরামর্শ দিচ্ছেন। তাদের এ সবজি বাগান দেখে আশপাশের অনেকেই সবজি চাষের প্রতি উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।
উপ-সহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আনিছুুুুর রহমান বলেন, আইপিএম কৌশলের মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রকল্পের আওতায় কৃষানি লাইলী বেগমের জমিতে শসা প্রদর্শনী করা হয়েছে। এতে জৈব কৃষি ও জৈবিক বালাইনাশক ব্যবহার করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফায়জুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, কৃষাণি লাইলীর জমিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়নি। সেক্সফেরোমন ফাঁদের মাধ্যমে পোঁকা দমনের ব্যবস্থা ছিল। কৃষিতে লাইলী বেগম ও তার স্বামীর আগ্রহ আছে।

 

Check out our other content

Check out other tags:

Most Popular Articles