27.4 C
Dhaka
Monday, June 15, 2026

Test

Test link

Test

Test link

Test

Test link

রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তিন প্রস্তাব

Uncategorizedরোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তিন প্রস্তাব

বার্তা ডেস্ক: রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে বিশ্বনেতাদের সামনে ৩ টি প্রস্তাব তুলে ধরেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শরণার্থী সঙ্কট নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে রোহিঙ্গা সঙ্কটের ভুক্তভোগী দেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রস্তাবগুলো দেন তিনি।

মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সেনা অভিযানে নিপীড়নের মুখে গত বছরের আগস্ট থেকে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার পাশাপাশি নিজ দেশে তাদের নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস নিশ্চিতের ওপর জোর দিচ্ছে; যদিও মিয়ানমার এই মুসলিম জনগোষ্ঠীকে তাদের নাগরিক হিসেবে মানতেই নারাজ।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমালোচনার মুখে মিয়ানমার শরণার্থীদের ফেরত নিতে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করলেও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করার ক্ষেত্রে গড়িমসি দেখাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডির সভাপতিত্বে সোমবারের বৈঠকে সঙ্কট অবসানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তিন প্রস্তাব তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। সেগুলো হলো :

ক. মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের প্রতি বৈষম্যমূলক আইন ও নীতি বাতিল এবং বৈষম্যমূলক আচরণ বন্ধ করতে হবে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের জোর পূর্বক স্থানান্তরিত করার প্রকৃত কারণগুলো খুঁজে বের করতে হবে।

খ. মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের নাগরিক সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করে একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে হবে। প্রয়োজনে একটি ‘সেইফ জোন’ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

গ. জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের সুপারিশের আলোকে ন্যায় বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নৃশংসতার হাত থেকে বাঁচাতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যেখানে তারা শতাব্দী ধরে বসবাস করত, সেখান থেকে তাদের জোর পূর্বক বাড়ি থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। একটি দায়িত্বশীল সরকার হিসেবে আমরা আমাদের সীমানা খুলে দিয়েছি এবং জোর পূর্বক স্থানান্তরিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি। আমরা কেবল তাদের জীবনই বাঁচাইনি, আমরা অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করেছি। আমরা চাই রোহিঙ্গারা নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিয়ে তাদের মূল ভূমিতে ফিরে যাক’।

রোহিঙ্গাদের সাময়িকভাবে ভাসানচরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘তাদের প্রত্যাবর্তন না হওয়ায় আমরা তাদের মৌলিক চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করছি। ভূমির স্বল্পতা এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও পরিবেশের ওপর প্রভাবের কারণে আমরা তাদের ভাসানচর নামে একটি নতুন দ্বীপে স্থানান্তরিত করতে যাচ্ছি। সেখানে তাদের আরও ভালো জীবনযাত্রা নিশ্চিত হবে’।

এবারের সাধারণ অধিবেশনে শেখ হাসিনা ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের পক্ষে তাঁর বক্তব্য তুলে ধরবেন। গতবারের মতো এবারও তাঁর ভাষণে রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ গুরুত্ব পাবে বলে জানানো হয়েছে।

Check out our other content

Test

Test

Test

Test

Test

Test

Test

Test

Test

Check out other tags:

Most Popular Articles