31.7 C
Dhaka
Tuesday, June 23, 2026

Getting Started with Oreels Casino Online: A Comprehensive Guide

For many online gaming enthusiasts, finding the...

Practical Advice for Enjoying Quinnbet Casino UK

Entering the world of online casinos can...

Maximize Your Winnings with Fortune Clock Bonus

In the competitive world https://fortuneclockcasino-online.com/bonuses/ of online...

সখীপুর-ভালুকা সড়ক : ৩ কি.মি. সড়কের জন্যে ঘুরতে হচ্ছে ৩০ কি.মি.

সখীপুরসখীপুর-ভালুকা সড়ক : ৩ কি.মি. সড়কের জন্যে ঘুরতে হচ্ছে ৩০ কি.মি.

সাজ্জাত লতিফ : সখীপুর- ভালুকা সড়কের কচুয়া থেকে আড়াইপাড়া পর্যন্ত চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় সখীপুর উপজেলার জনগণকে ৩০ কিলোমিটার ঘুরে ভালুকা হয়ে ময়মনসিংহ যেতে হচ্ছে। কচুয়া  থেকে আড়াইপাড়া পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা এতটাই খারাপ যে যান বাহন চলাতো দূরের কথা পায়ে হেঁটে চলাও দূরহ হয়ে পড়েছে। ৩ কিলোমিটার এ সড়কে শত শত গর্ত রয়েছে। এক গর্তে গাড়ি পড়লে উঠানো খুবই কষ্টকর। প্রায়ই গর্তে গাড়ি পড়ে রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে থাকতে দেখা গেছে। আবার ওই তিন কিলোমিটার রাস্তার জন্য ভুক্তভোগীদের ৩০ কিলোমিটার ঘুরে সখীপুর অথবা ভালুকা যাতায়ত করতে হচ্ছে। সখীপুর উপজেলায় গ্যাস না থাকায় এ উপজেলার শত শত সিএনজি চালিত অটো-রিক্সা, অটো-ভ্যান থেকে শুরু সব ধরনের গাড়ি ভালুকা  যেতে হয় গ্যাসের জন্য। এছাড়া ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার আঞ্চলিক অধিদপ্তর থাকায় সখীপুর উপজেলার প্রতিটি মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজের কাজের জন্য এ রাস্তা দিয়ে ভালুকা হয়ে ময়মনসিংহ যেতে হয়। তাছাড়া ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এ অঞ্চলের অসংখ্য রোগী চিকিৎসার জন্য প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়েই যাতায়ত করে।
অপরদিকে বানিয়ারসিট, নয়াপাড়া, আড়াইপাড়া, ডাকাতিয়া, বিন্নরীপাড়া, দৌলা ও দামিয়ার মানুষ সখীপুর যাতায়াত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জরুরী কোন রোগীকে দ্রুত  হাসপাতালে নিতে ৩ কিলোমিটার রাস্তার জন্য ৩০ কিলোমিটার ঘুরে সীডস্টোর হয়ে সীখপুর আসতে হচ্ছে। এ অঞ্চলে উৎপাদিত কাচাঁমালও তারা সঠিক সময়ে বিক্রি করতে পারছেন না। ফলে ওই সব কাঁচামাল জমিতে পঁচে থাকতে দেখা গেছে। এতে দারুনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এ অঞ্চলের সাধারণ খেটে খাওয়া কৃষক।
গ্রীষ্ম মৌসুমে ঝুঁকি নিয়ে এ রাস্তা যান চলাচল করলেও বর্ষা মৌসুমে এ রাস্তাটি  চলাচলের জন্য একদম অকেজো হয়ে পড়েছে। এ রাস্তা পাড় হয়ে আর কোথায় যেতে মন চায় না। বইয়ে উল্লেখ রয়েছে চীনের দুঃখ হোয়াংহো নদী এখন  এ অঞ্চলের মানুষের দুঃখ হয়ে দাড়িয়েছে কচুয়া-আড়াইপাড়ার সড়ক। কথাগুলো আক্ষেপের সঙ্গে বলেন মাজেদা মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল ইসলাম।
উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাহাদ কদ্দুছ বলেন, রাস্তাটি ইতিমধ্যে দুইবার টেন্ডার দেওয়া হয়েছে দূরবস্থার কারণে কেউ কাজ নিতে চায় না। তৃতীয়বারের মতো টেন্ডার দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ঠিকাদাররা কাজটি নিলেই দ্রুত কাজ করানো সম্ভব।

Check out our other content

Check out other tags:

Most Popular Articles