33 C
Dhaka
Thursday, August 27, 2026

Érdekes_ajánlatok_várnak_rád_a_betmatch_promocios_kod_birtokában_ne_hagyd_k

Érdekes ajánlatok várnak rád a betmatch promocios...

Érdekes_ajánlatok_várnak_rád_a_betmatch_promocios_kod_birtokában_ne_hagyd_k

Érdekes ajánlatok várnak rád a betmatch promocios...

Çekici_semboller_ve_sweet_bonanza_dünyası_kazanma_ihtimalini_artırıyor

Çekici semboller ve sweet bonanza dünyası, kazanma...

৮ মাস অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন তুলছেন শিক্ষক দম্পতি

সখীপুরকাকড়াজান৮ মাস অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন তুলছেন শিক্ষক দম্পতি

জাহিদ হাসান: টাঙ্গাইলের সখীপুরে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক দম্পতি দীর্ঘ আট মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতনভাতা উত্তলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কোনো রকম ছুটি ছাড়াই তারা মাসের পর মাস বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের সুরীরচালা আব্দুল হামিদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন ২০২৪ সালের ১৮ নভেম্বর ও তার  স্ত্রী সহকারী শিক্ষক হাজেরা খাতুন ওই মাসের ৭ তারিখ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড টান্সফার) এর মাধ্যমে তারা নিয়মিত বেতনভাতা তুলছেন।
স্কুলের হাজিরা খাতা খুলে দেখা যায়, প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন ও তার স্ত্রী হাজেরা খাতুন প্রায় ৯ মাস ধরে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন না। কোনো রকম ছুটি ছাড়াই তারা মাসের পর মাস স্কুলে অনুপস্থিত রয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দন বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি করেন। তিনি তার স্ত্রীকে অবৈধভাবে বিদ্যালয়ে নিয়োগ দিয়েছেন। এলাকাবাসী ওই প্রধান শিক্ষকের বিচার দাবিতে কয়েক দফায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন বলেন, আমরা বিদ্যালয়ে যেতে ইচ্ছুক। কিন্তু স্কুলে যাওয়ার মতো আমাদের কোন পরিবেশ নেই। সভাপতি মহোদয় আমাদের কারণ দশানোর নোটিশ দিয়েছেন আমরা এর জবাব দেব।
বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম বলেন, “আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষক গত বছরের ১৮ই নভেম্বর থেকে অনুপস্থিত থাকায়, বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক অনেক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সেই সাথে তার স্ত্রীও ওই একই মাস থেকে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার কারণে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যালয়ে দুই জন শিক্ষক একসাথে অনুপস্থিত থাকায় অন্য শিক্ষকদের জন্যও কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ও উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকা শিক্ষক দম্পতিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হারুনুর রশিদ বলেন, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার কোনো সুযোগ নাই। ওই দম্পতির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Check out our other content

Check out other tags:

Most Popular Articles