ইসমাইল হোসেনঃ সখীপুর উপজেলার অধিকাংশ সড়কে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত গতিরোধক দেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় এসব গতিরোধকের কারণে প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। সরেজমিন দেখা গেছে, সখীপুর-গোপিনপুর সড়কের সখীপুর পিএম পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে তৈলধারা বাজার পর্যন্ত সাড়ে ছয় কিলোমিটার সড়কে ১১টি গতিরোধক রয়েছে। এর মধ্যে তৈলধারা বাজারে তিনটি, মসজিদের পাশে দুটি ও মহানন্দনপুর বাজারে তিনটি গতিরোধক রয়েছে। এলাকাবাসী ও দুর্ঘটনার শিকার একাধিক ব্যক্তি জানান, ছয় কিলোমিটার সড়কে ঢালাওভাবে ১১টি গতিরোধক দেওয়া হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করবে বলে মনে করে স্থানীয়রা এগুলো দিয়েছেন। কিন্তু গতিরোধকগুলো উপকারে না এসে উল্টো বিপদ ডেকে আনছে। দিঘিরচালা গ্রামের আলমগীর হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ রাস্তায় যতগুলো গতিরোধক আছে সব অপ্রয়োজনীয়। শুধু এ সড়কেই নয়, উপজেলার প্রায় প্রতিটি সড়কে অপরিকল্পিত গতিরোধক রয়েছে। এসব গতিরোধকের আগে পরে কোনো চিহ্ন না থাকায় সড়কে চলাচলকারীরা ভোগান্তির শিকার হন। এ সড়কের নিয়মিত অটোচালক আনছু মিয়া বলেন, প্রতিদিন আট থেকে দশবার তৈলধারা থেকে সখীপুর বাজারে যাতায়াত করি। এ সড়কে গতিরোধকগুলোতে কোনো রং দেওয়া না থাকায় একটু অসাবধান হলেই বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কাকড়াজান ইউপি চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন বলেন, আসলে আমাদের গ্রামের সড়কে আইল্যান্ড বেশি। স্থানীয়রা সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বিভিন্ন বাজার ও মসজিদের সামনে গতিরোধক দিয়েছেন। প্রশাসনকে জানিয়ে গতিরোধকগুলো খুব দ্রুত রঙ দিয়ে চিহ্নিত করে দেওয়া হবে। উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা হাসান ইবনে মিজান বলেন, সড়কটি রোড অ্যান্ড হাইওয়ের। তবে সড়কে গতিরোধক দিলে অবশ্যই অনুমোদন নিয়ে দিতে হয়।


