30.8 C
Dhaka
Tuesday, June 23, 2026

Step-by-Step Guide to Buzz Casino Online: Your Ultimate Resource

Online gambling has transformed the entertainment landscape,...

Everything You Need to Know About Kong Bonus

If you’re looking to elevate your online...

Everything You Need to Know About Pink Login

In today’s digital age, secure and seamless...

সখীপুরে করোনা মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা পেলো ১৮৩০০ পরিবার

জাতীয়সখীপুরে করোনা মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা পেলো ১৮৩০০ পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সখীপুরে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা পেয়েছে ১৮৩০০ পরিবার। করোনা প্রাদুর্ভাব থেকে জনগণকে রক্ষা করার জন্য অসহায়, দুস্থ, হতদরিদ্র্য, দিনমজুর, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছেন সখীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমাউল হুসনা লিজা। করোনাকাল শুরু থেকেই এ সহায়তা দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মানবিক সহায়তা হিসেবে এ পর্যন্ত সখীপুর উপজেলায় ১৮৩ মেট্রিকটন (জিআর) চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এ বরাদ্দের চাল আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় উপবরাদ্দ প্রদান করে বিতরণ করা হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা (জিআর) উপকারভোগীর হাতে পৌঁছাতে ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় নেতাকর্মী, শিক্ষক ও গণ্যমান্য ব্যক্তির সমন্বয়ে কমিটি করে দেওয়া হয়। ত্রাণ কার্যক্রমসহ করোনাকালীন সংকট মোকাবেলার জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে (প্রতি তিন ওয়ার্ডে একজন) তিনজন কর্মকর্তাকে নিয়োগ প্রদান করা হয়। এদের মধ্যে একজন জেষ্ঠ্য কর্মকর্তাকে প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার সমন্বয়কারী (ট্যাগ অফিসার) হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এখানে ইউনিয়ন সমন্বয়কারী হিসেবে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করেন। এতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে ত্রান বিষয়ক ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়। এছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার করোনা দুর্যোগে মানুষের পাশে থেকেছেন।

আরও জানা যায়, সখীপুর উপজেলায় করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সর্বমোট বরাদ্দ প্রাপ্ত জিআর চাল ১৮৩ মেট্রিক টন উপবরাদ্দ হিসেবে কাকড়াজান ইউনিয়নে ১৯.৮০০ মেট্রিক টন, বহেড়াতৈল ইউনিয়নে ১৭.১০০ মেট্রিক টন, গজারিয়া ইউনিয়নে ১৫.০০০ মেট্রিক টন, যাদবপুর ইউনিয়নে ১৮.৭৫০ মেট্রিক টন, হাতিবান্ধা ইউনিয়নে ১৮.২৫০ মেট্রিক টন, কালিয়া ইউনিয়নে ২১.১০০ মেট্রিক টন, দাড়িয়াপুর ইউনিয়নে ১৭.৩০০ মেট্রিক টন ও বহুরিয়া ইউনিয়নে ১৮.২৫০ মেট্রিক টন এবং পৌরসভায় ১৫.৩৫ মেট্রিক টন বরাদ্দ দেওয়া হয়। এতে উপজেলায় সংরক্ষিত হিসেবে ২২.১০০ মেট্রিক টন রাখা হয়।

উপজেলার কালিয়া ইউনিয়র পরিষদের চেয়ারম্যাম এসএম কামরুল হাসান জানান, প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের চৌকস নজরদারি মধ্যে করোনা দুর্গতদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও উপজেলা ত্রান বিষয়ক ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা মো. এরশাদুল আলম জানান, সখীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। তিনি অত্যন্ত সততা ও ন্যায় নিষ্ঠার সঙ্গে শতভাগ স্বচ্ছতার মাধ্যমে বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।

সখীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমাউল হুসনা লিজা জানান, বিভিন্ন ইমার্জেন্সিসহ মাননীয় সংসদ সদস্যের অভিপ্রায়, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান দ্বয়ের প্রদত্ত তালিকা, হটলাইন-৩৩৩, জেলা প্রশাসনের হটলাইন, উপজেলার হটলাইন, কাটলে ধান মিলবে ত্রান-এর বিশেষ প্রণোদনা, কর্মহীন হয়ে পড়া কাঠমিস্ত্রী, চা-বিক্রেতা, ভ্যান চালক, অটোরিকশা চালক, মুচি, প্রতিবন্ধী, নরসুন্দর, নিম্ন মধ্যবিত্তদের ফোন মারফত প্রাপ্ত বিভিন্ন চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন সময়ে ধাপে ধাপে প্রাপ্ত বরাদ্দ হতে উপজেলায় মোট সংরক্ষিত ২২.১০০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়।
এছাড়াও জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক জিআর চালের সঙ্গে শুকনা খাবার বাবদ প্রাপ্ত বরাদ্দ ১০১৯০০০ টাকা (জিআর ক্যাশ) দ্বারা আলু/ ডাল/পিয়াজ এবং স্থানীয় কৃষকদের সহযোগিতার জন্য কলা/লেবু ক্রয়করে ১০ কেজি চালের প্যাকটের সাথে বিতরণ করা হয়।
এছাড়াও শিশু খাদ্যের বরাদ্দ পাওয়া যায় ৩১০০০০ টাকা। শিশু খাদ্য হিসেবে ৫০০গ্রাম মিল্কভিটার গুড়াদুধ ও ৫০০ গ্রাম সুজি বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার ১০৫৫ জন শিশুর মধ্যে বিতরণ করা হয়। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তার প্রাপ্ত বরাদ্দ যা শতভাগ স্বচ্ছতা ও সততার সঙ্গে বিতরণ করা হয়েছে।


তিনি বলেন, করোনাকালে সখীপুরের একজন মানুষ ও যাতে না খেয়ে ঘুমাতে না যায় তা নিশ্চিত করতে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছি। যখনই কোন ব্যক্তি ত্রাণের চাহিদা দিয়েছেন, তথ্যদাতা ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সমন্বয়ে সঠিকতা যাচাই করে দ্রুত সময়ের মধ্যে উপকারভোগীর ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে নিজেও ত্রান নিয়ে খালিয়ারবাইদ, কাঙ্গালীরছেও, প্রতিমা বংকী, ছোট মৌশা, মহানন্দপুর, কালিদাস, বেড়বাড়ীসহ বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় রাত দিন ঘুরে ঘুরে বিতরণ নিশ্চিত করেছি যোগ করেন তিনি।
তিনি প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তার ত্রাণ কার্যক্রম বিতরণের সঙ্গে জড়িত অক্লান্ত শ্রম দেওয়া সংশ্লিষ্টদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

Check out our other content

Check out other tags:

Most Popular Articles