37.1 C
Dhaka
Thursday, June 11, 2026

Драгон Мани: Мифическое Сокровище или Реальные Выигрыши?

Драгон Мани: Мифическое Сокровище или Реальные Выигрыши? Среди...

Ставкалар туралы мифтер шындықты ашу

Ставкалар туралы мифтер шындықты ашу Ставкалардың тарихы мен...

Rocket Casino: A Thrilling Launch into Online Gaming

Rocket Casino: A Thrilling Launch into Online...

সখীপুরে ঈদের আগে ধানকাটা শ্রমিকের সংকট, একদিনেই শ্রমের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৩০০ টাকা

অন্যান্যকৃষিসখীপুরে ঈদের আগে ধানকাটা শ্রমিকের সংকট, একদিনেই শ্রমের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৩০০ টাকা

সাইফুল ইসলাম সানি: ঈদের আগে টাঙ্গাইলের সখীপুরে ধান কাটা শ্রমিকের সংকট দেখা দিয়েছে। মাত্র একদিনের ব্যবধানেই প্রতিজন শ্রমিকের শ্রমের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৩০০ টাকা। গত শুক্রবার যে শ্রমিক ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায় কাজ করতো, শনিবার ও রোববার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ওইসব শ্রমিকরা দিন প্রতি দাম হাঁকাচ্ছেন ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা। ফলে ঈদের আগে কৃষকের পাকা ধান ঘরে তোলা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। তবে রোববার বিকেল সাড়ে ৩টায় উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, ঈদের আগে অধিকাংশ শ্রমিক বাড়ি চলে যাওয়ায় সাময়িক সংকট দেখা দিয়েছে। ঈদের পরই এটি স্বাভাবিকে চলে আসবে।

শনি ও রোববার সখীপুর পৌরসভার মুখতার ফোয়ারা চত্বর শ্রমবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে শ্রমিকের চেয়ে গেরস্ত কৃষকের সংখ্যা বেশি। এমনকি পার্শ্ববর্তী বাসাইল উপজেলার গেরস্ত কৃষকরাও শ্রমিকের জন্য সখীপুর শ্রমবাজারে এসে ভিড় করছেন। ভোরের আলো ফোটার আগেই প্রতিজন শ্রমিকের সঙ্গে একাধিক গেরস্ত দর কষাকষি করছেন। এছাড়াও উপজেলার নলুয়া, নাকশালা বাজারের শ্রমের হাটেরও একই চিত্র বলে জানা গেছে।
শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় কৃষক হানিফ মিয়া জানান, এই বাজারে দৈনিক ৩০০ থেকে ৫০০ শ্রমিকের কেনা-বেচা হয়। কিন্তু হঠাৎ শ্রমিকের সংখ্যা কম হওয়ায় শ্রমিকরা দাম বাড়িয়ে চাচ্ছেন। বিকেল থেকে অপেক্ষা করছি, কিন্তু ৮০০ টাকার কমে কেউ যাচ্ছেনা।
উপজেলার প্রতিমা বংকী গ্রামের গেরস্ত কৃষক সিরাজুল ইসলাম সংশয় প্রকাশ করে বলেন, ক্ষেতের ধানগুলো পেকে গেছে। সামনে ঝড় বৃষ্টির দিন, কখন কি হয় কওন (বলা) যায় না! এই মুহূর্তে কামলার (শ্রমিকের) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খুব চিন্তায় আছি। দাম যতই হোক আমার পাঁচ থেকে ছয়জন কামলা (শ্রমিক) নিতেই হবে। তবে এত দামের কামলা দিয়ে ধান কাটলে ধান বিক্রি করে আমাগো কিছুই থাকবো না।
কুড়িগ্রাম থেকে আসা ধানকাটা শ্রমিক রফিকুল ইসলাম, আবদুস সাত্তার, রঞ্জু মিয়া, ময়নাল হোসেন ও শাহিনুল ইসলাম বলেন, গত ১৫ দিন ধরে আমরা ৫০০ টাকা করে মজুরিতে কাজ করেছি, ঈদের আগে অনেকেই বাড়ি চলে গেছে, তাই এখন দাম (মজুরি) একটু বাড়ছে। এখন দিন অনেক লম্বা তাই ৮০০ টাকা মজুরিই ঠিকই আছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে সখীপুর উপজেলার প্রায় ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। সম্ভাব্য উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৭৬ হাজার ৪৫০ মেট্রিকটন। ধানগুলো একযোগে পেকে যাওয়ায় কৃষকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তাই শ্রম বাজারে শ্রমিকের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।
শ্রমিক সংকট নিরসনে কৃষি অফিস থেকে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নূরুল ইসলাম বলেন, চলমান করোনা ভাইরাস সংকটেও কৃষকের প্রয়োজনকে গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। এ অঞ্চলে সাধারণত কুড়িগ্রাম, রংপুর ও সিরাজগঞ্জ থেকে শ্রমিকরা কাজ করতে আসে। প্রশাসন ধান কাটা শ্রমিকদের চলাচলে সার্বিক সহযোগিতা করছেন। সংকট নিরসনে প্রয়োজনে প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় শ্রমিক আমদানি করা হবে। এছাড়াও বর্তমানে অবস্থান করা শ্রমিকদের সব সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

এসবি/সানি

Check out our other content

Check out other tags:

Most Popular Articles